তোরাব নগর গ্রামের মতিন প্রফেসার বাড়ীর প্রবাসী নূরুল আমিনের স্ত্রী কুসুম আক্তার (৪০) কে একই বাড়ী মৃত আবদুল ওহাব এর ছেলে রিয়াজ উদ্দিন (৪২) ও রিয়াজের মা শেফালী বেগম (৬০) মারধর করে গুরুতর আহত করে।এই বিষয়ে প্রবাসীর স্ত্রী কুসুম আক্তার বাদী হয়ে চটিখিল থানায় গত ৪ জুলাই দুইজনকে সহ অজ্ঞাত নামা ৩/৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযোগের একমাস অতিবাহিত হলেও কোন ব্যবস্থা নেয়নি থানা পুলিশ।
আজ মঙ্গলবার দুপুরের প্রবাসীর স্ত্রী কুসুম আক্তার ও তার ভাসুর আবুল খায়ের সহ আত্মীয়-স্বজনেরা চাটখিল প্রেসক্লাবে এসে এই আভিযোগ করেন। কুসুম আক্তার উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান, গত ২০২২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি তিনি শেফালী বেগম এর নিকট থেকে ৭ শতাংশ জমি খরিদ করে পরিমাপ করে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করার পরও তারা কর্নপাত করেনি| তখন তিনি এই বিষয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ মাহমুদ হোসেন তরুনের নিকট আবেদন করেন। চেয়ারম্যান স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ নিয়ে ও সার্ভেয়ার দিয়ে জমিটি পরিমাপ করে সীমানা নির্ধারন করে দেন। কিন্তু শেফালী বেগম ও তার ছেলে রিয়াজ উদ্দিন গং এ পরিমাপ না মেনে জোরপূর্বক কিছু অংশ ভোগ দখল করে রেখেছে। এ নিয়ে গত ৪ জুলাই বিকেলে তাদের বাড়ীর উঠানে রিয়াজ ও শেফালীর সাথে তর্ক বিতর্কের একপর্যায়ে তারা মা-ছেলেসহ অজ্ঞাতনামা আরো ২/৩ জন কুসুম আক্তার কে মারধর করে গুরুতর আহত করে।এ সময় রিয়াজ তার হাতের চুরি দিয়ে কুসুমকে কুপিয়ে তাঁকে রক্তাক্ত জখম করে।তার শোর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে তারা প্রকাশ্যে কুসুমকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরবর্তীতে কুসুমকে তার আত্মীয় - স্বজন উদ্ধার করে চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়। তিনি আরো জানান, থানায় অভিযোগের পর শিবলু দারোগা ঘটনাস্থল তদন্ত করে আসলেও বিবাদীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি। তিনি ডাক্তারি সনদপত্র থানায় জমা দিয়েছেন।
এই বিষয়ে অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ছিদ্দিক আলীর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমি গত রোববার কুসুম আক্তার কে থানায় ডেকে এনেছি এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করে অভিযোগ কোটে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছি, কিন্তু তিনি কোর্টে যেতে রাজি নয়| তিনি আসামীদের কে থানায় এনে মিমাংসা করার জন্য বলেন।