চাটখিল ভয়েস

দেশের বৈদেশিক ঋণ ১১৫ বিলিয়ন ডলার ছুঁয়েছে


প্রকাশ : ১১ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ

দেশের বৈদেশিক ঋণ ১১৫ বিলিয়ন ডলার ছুঁয়েছে
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ বেড়ে গেছে। গত ২০২৫–২৬ অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকে (এপ্রিল–জুন) দেশের মোট বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ বেড়ে ১১৪ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন বা ১১ হাজার ৪৯৮ কোটি মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। এই ঋণ তার আগের তিন মাস জানুয়ারি–মার্চের তুলনায় ৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ বেশি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, গত জুনের শেষে সরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণ দাঁড়িয়েছে ৯৫ দশমিক ১০ বিলিয়ন বা ৯ হাজার ৫১০ কোটি ডলার। আগের প্রান্তিকে এ পরিমাণ ছিল ৯০ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ তিন মাসে সরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণ বেড়েছে প্রায় ৪১৯ কোটি ডলার। তবে একই সময়ে বেসরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণ ১৪ কোটি ডলার কমে ১৯ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ১ হাজার ৯৮৮ কোটি ডলারে নেমেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যে জানা যায়, গত জুনের শেষে দেশের মোট বৈদেশিক ঋণের মধ্যে ৮৭ দশমিক ৫২ শতাংশ ছিল দীর্ঘমেয়াদি। এর পরিমাণ ১০০ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে একই সময়ে স্বল্পমেয়াদি ঋণের পরিমাণ ছিল ১৪ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলার।

ঋণদাতার ধরন অনুযায়ী, আলোচ্য সময়ে বহুপক্ষীয় উন্নয়ন সংস্থাগুলোর কাছ থেকে নেওয়া ঋণের পরিমাণ ছিল ৪৮ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলার। দ্বিপক্ষীয় ঋণের পরিমাণ ৩২ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ডলার। এ ছাড়া বাণিজ্যিক ঋণ ছিল ১০ দশমিক ৬০ বিলিয়ন ডলার এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণ ছিল প্রায় ৫ দশমিক ৯৭ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত মার্চের শেষে বেসরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণ ছিল প্রায় ২০ দশমিক শূন্য ২ বিলিয়ন ডলার। জুনের শেষে তা কমে ১৯ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়ায়। বেসরকারি খাতের স্বল্পমেয়াদি ঋণ, ক্রেতাঋণ (বায়ার্স ক্রেডিট) এবং বাণিজ্যঋণ কমে যাওয়ায় এ খাতের মোট বৈদেশিক ঋণ কমে।

আপনার মতামত লিখুন

চাটখিল ভয়েস

সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬


দেশের বৈদেশিক ঋণ ১১৫ বিলিয়ন ডলার ছুঁয়েছে

প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ বেড়ে গেছে। গত ২০২৫–২৬ অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকে (এপ্রিল–জুন) দেশের মোট বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ বেড়ে ১১৪ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন বা ১১ হাজার ৪৯৮ কোটি মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। এই ঋণ তার আগের তিন মাস জানুয়ারি–মার্চের তুলনায় ৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ বেশি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, গত জুনের শেষে সরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণ দাঁড়িয়েছে ৯৫ দশমিক ১০ বিলিয়ন বা ৯ হাজার ৫১০ কোটি ডলার। আগের প্রান্তিকে এ পরিমাণ ছিল ৯০ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ তিন মাসে সরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণ বেড়েছে প্রায় ৪১৯ কোটি ডলার। তবে একই সময়ে বেসরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণ ১৪ কোটি ডলার কমে ১৯ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ১ হাজার ৯৮৮ কোটি ডলারে নেমেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যে জানা যায়, গত জুনের শেষে দেশের মোট বৈদেশিক ঋণের মধ্যে ৮৭ দশমিক ৫২ শতাংশ ছিল দীর্ঘমেয়াদি। এর পরিমাণ ১০০ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে একই সময়ে স্বল্পমেয়াদি ঋণের পরিমাণ ছিল ১৪ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলার।

ঋণদাতার ধরন অনুযায়ী, আলোচ্য সময়ে বহুপক্ষীয় উন্নয়ন সংস্থাগুলোর কাছ থেকে নেওয়া ঋণের পরিমাণ ছিল ৪৮ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলার। দ্বিপক্ষীয় ঋণের পরিমাণ ৩২ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ডলার। এ ছাড়া বাণিজ্যিক ঋণ ছিল ১০ দশমিক ৬০ বিলিয়ন ডলার এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণ ছিল প্রায় ৫ দশমিক ৯৭ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত মার্চের শেষে বেসরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণ ছিল প্রায় ২০ দশমিক শূন্য ২ বিলিয়ন ডলার। জুনের শেষে তা কমে ১৯ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়ায়। বেসরকারি খাতের স্বল্পমেয়াদি ঋণ, ক্রেতাঋণ (বায়ার্স ক্রেডিট) এবং বাণিজ্যঋণ কমে যাওয়ায় এ খাতের মোট বৈদেশিক ঋণ কমে।


চাটখিল ভয়েস

ঠিকানা: চাটখিল-৩৮৭০, নোয়াখালী
মোবাইল: +880
ইমেইল: chatkhilvoice@gmail.com

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত চাটখিল ভয়েস