চাটখিলে জালিয়াতির মাধ্যমে ছোট ভাই-বোনদের সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগ
চাটখিল উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের হরিকৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত আলী আরশাদ এর বড় ছেলে আমীর আলী (৭৫) এর বিরুদ্ধে স্ট্যাম্প জালিয়াতির মাধ্যমে ৩৩ শতাংশ ওয়ারিশি সম্পত্তি আত্মসাৎ করার অভিযোগ পাওয়া গেয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে আজ রোববার দুপুরে চাটখিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমানের নিকট অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ছোট ভাই মো. দেলোয়ার হোসেন। অভিযোগে জানা যায়, মো. দেলোয়ার হোসেন চাকরির সুবাদে দীর্ঘ প্রায় ৪০ বছর স্বপরিবারে সিলেটের হরিপুর গ্যাস ফিল্ড এলাকায় অবস্থান করতেন। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে চাকরি থেকে অবসর নিয়ে তিনি গ্রামের বাড়ি চাটখিলের হরিকৃষ্ণপুর গ্রামে ফিরে আসেন এবং তার বড় ভাই আমির আলীর কাছে পৈত্রিক ওয়ারিশি সম্পত্তির অংশ বুঝিয়ে দিতে বলেন। কিন্তু বড় ভাই আমির আলী তাকে কোনো সম্পত্তি দেবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন এবং বাবার সমস্ত সম্পত্তির মালিকানা নিজের দাবি করেন। এ নিয়ে বিরোধের জেরে প্রায় ৭ মাস আগে ভুক্তভোগী দেলোয়ার হোসেন চাটখিল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। পরবর্তীতে থানার তদন্ত কর্মকর্তা টুটুল মজুমদার বিষয়টি তদন্তের দায়িত্ব নেন। এক পর্যায়ে স্থানীয় সালিশদারের মাধ্যমে বিষয়টি মিমাংসার জন্য চেষ্টা করা হয়। বড় ভাই আমির আলী ১৯৬১ সালের একটি লিখিত স্ট্যাম্প দেখিয়ে বলেন, তাদের ৩৩ শতাংশ সম্পত্তির তিনি একাই মালিক আর কেউ এই সম্পত্তির মালিক নহে। শেষ পর্যন্ত সালিশ বৈঠকে সমাধান হয়নি। সালিশ করার সময়ে তার কাছ থেকে একটি সাদা স্টাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয়, যা নিয়ে তিনি আতঙ্কে রয়েছেন। তাই তিনি নিরুপায় হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট এই অভিযোগ দায়ের করেছেন। একই সঙ্গে তিনি ভাই বোনদের ওয়ারিশ সনদ দাখিল করেছেন।এই বিষয়ে অভিযোগকারী দেলোয়ার হোসেন এর বড় আমির আলীর মুঠোফোনে কথা বললে তিনি বলেন, তার কাছে কাগজপত্র আছে। আপনার ছোট ভাই সহ ৫ ভাই বোন বাবার সম্পত্তির ওয়ারিশ সূত্রে মালিক নয় কিনা জানতে চাইলে তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেননি।এই ব্যাপারে চাটখিল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজানুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।